
ড: মো: কামরুজ্জামান :বাংলাদেশে আবাসিক মাদ্রাসাগুলোতে বলাৎকারের ঘটনা নতুন নয়। এটি বাংলাদেশের মাদ্রাসাগুলোর ঐতিহাসিক জঘন্য এক কালচার। এটা জাতির কাছে ওপেন সিক্রেট হলেও খুব বেশি প্রকাশ পেতো না। বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়া মারফাত এসব ঘটনা বেশি প্রকাশ পাচ্ছে। অতীতে দেশে মহিলা আবাসিক মাদ্রাসা ছিল না বললেই চলে। বর্তমানে যত্রতত্র এ কালচারটি শুরু হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে ছাত্রদেরকে দাস মনে করা হয়। শিক্ষকগণ তাদেরকে দাস হিসেবেই ব্যবহার করে থাকেন। অন্যদিকে ছাত্রীদেরকে হুজুররা দাসী মনে করেন। বিধায় হুজুররা তাদের সাথে যথেচ্ছা আচরণ করে থাকেন। কোনো কোনো ছাত্র-ছাত্রী শিক্ষকদের নোংরা আচরণকে আবার ইবাদত মনে করে থাকেন! দেশে অনেক ভন্ড পীরের ভন্ড মুরিদ আছে যারা পীরের কাছে স্ত্রীকে বর্গা দেওয়াকেও ইবাদত মনে করে থাকেন! নাউজুবিল্লাহ!!! এসব দরবারের পীর ও মাদ্রাসার শিক্ষকগণ খুবই নিচু মানসিকতার হয়ে থাকেন। তাদের মনের মধ্যে হিংসা-বিদ্বেষ ও ঘৃণা লালিত হয়ে আসছে সেই প্রাচীনকাল থেকেই। তাদের কওমের বাইরে কাউকেই তারা মুসলমান মনে করে না। তাদের মুখের ভাষা অত্যন্ত জঘন্য ও নিচু মানের। সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ছাত্রী ধর্ষণ ও ছাত্র বলাৎকারের ঘটনায় তাদের মুরুব্বীদের পক্ষ থেকে কোনো নিন্দা জানাতে দেখা যায়নি। নিম্নের তিনটি ফটো কার্ড তাদের মনের মধ্যে লালিত বাসনারই বহিঃপ্রকাশ। এমতাবস্থায় সরকারের নিম্নোক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত বলে আমি মনে করি,
১. যত্রতত্রভাবে গড়ে ওঠা মাদ্রাসাগুলোকে বন্ধ করে দেওয়া।
২. মূল ধারার মাদ্রাসাগুলোকে স্থানীয় প্রশাসন দ্বারা পর্যবেক্ষণে রাখা।
৩. যে সমস্ত বিবাহিত শিক্ষক ধর্ষণ ও বলাৎকারের সাথে জড়িত তাদেরকে কোরআনের হুকুম মোতাবেক জনসম্মুখে পাথর মেরে হত্যা করা।
৪. অবিবাহিত শিক্ষক হলে জনসম্মুখে ১০০ বেত্রাঘাত করা।