
স্টাফ রিপোর্টার,কুষ্টিয়া : ৩১ মে ছিল প্রখ্যাত গবেষক, শিক্ষাবিদ ও সাহিত্য-সংস্কৃতির নিবেদিতপ্রাণ সাধক অধ্যাপক ড. আনোয়ারুল করিমের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী। শুক্রবার বাদ আসর কুষ্টিয়া শহরের বারখাদা বায়তুস সালাম জামে মসজিদে মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। অধ্যাপক ডঃ আনোয়ারুল করিম ৮৭ বছর বয়সে ২০২৫ সালের ৩১মে ইন্তেকাল করেন। অধ্যাপক ড. আনোয়ারুল করিম লালন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলামকে নিয়ে অসংখ্য মূল্যবান গ্রন্থ রচনা করেছেন। বিশেষত লালন গবেষণায় তাঁর অবদান দেশ-বিদেশে সমাদৃত। তিনি বাংলার লোক ঐতিহ্য, বাউল দর্শন ও মানবতাবাদী চেতনার একনিষ্ঠ অনুসন্ধানী ছিলেন। বাংলা সাহিত্য, লোকসংস্কৃতি ও গবেষণার ক্ষেত্রে তাঁর অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। একজন শিক্ষক হিসেবে তিনি জ্ঞানচর্চা, মুক্তবুদ্ধি ও মানবিক মূল্যবোধের চর্চায় বহু প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করেছেন। তাঁর গবেষণা, লেখনী ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড বাংলাদেশের বুদ্ধিবৃত্তিক পরিমন্ডলকে সমৃদ্ধ করেছে। অধ্যাপক ডঃ আনোয়ারুল করিম কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি নর্দান বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ’র প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর ছিলেন। এছাড়া কুষ্টিয়া লালন একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও যুক্তরাষ্ট্রের হারভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিজিটিং প্রফেসর ছিলেন। তাঁর একমাত্র কন্যা সুলতানা আফরোজ বাংলাদেশ সরকারের সাবেক সচিব এবং বর্তমানে জাতিসংঘ বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির উপদেষ্টা হিসেবে কর্তব্যরত আছেন।